ভান্ডারিয়া উপজেলায় ৪৭ টি পূজা মন্ডপে শারদীয় দূর্গাপুজা

আজ সোমবার মহাষষ্ঠীতে বোধন পূজা অধিবাসের মধ্যে দিয়ে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলার সর্বত্ত আনুষ্ঠানিক ভাবে শুরু হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দূর্গা পূজা। ভান্ডারিয়া উপজেলার টি ইউনিয়ন টি পৌরসভায় এবছর ৪৭ টি পূজা মন্ডপে শারদীয় দূর্গাপুজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এবারে পূজা মন্ডপ গুলোর আয়োজক কমিটির সদস্যরা কোন কমিটির চাইতে কোন কমিটির পূজা সুন্দর হবে এই প্রতিযোগিতার সুপ্ত চিন্তায় পূজা মন্ডপে নতুন নতুন সাজসজ্জাসহ আধুনিক জিনিসপত্র ব্যবহার করেছে। অপরদিকে পরিবার পরিজনের জন্য কেনা কাটায় ব্যস্ত সময় পার করছেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। ঘরে বাইরে পূজাকে ঘিরে চলছে ব্যস্ততা। শারদীয় দুর্গা উৎসবকে কেন্দ্র করে চারপাশে চলছে এখন উৎসবের আমেজ। উপজেলার বিভিন্ন পূজা মন্ডপের আয়োজকরা বলেন, দূর্গা পূজা আমাদের সনাতন ধর্মাবলম্বী সবচেয়ে বড় উৎসব তাই ব্যাপক উৎসাহ নিয়ে আমরা মায়ের পূজার আয়োজন করি। সরকার কর্তৃক করোনার কারনে পূজা উদযাপনের বিষয়ে কিছু নির্দেশনা রয়েছে আমরা সে নির্দেশনা অনুসরণ করেই মায়ের পূজা সম্পন্ন করার চেষ্টা করছি।এবারে দূর্গাদেবী অসুর দমনে শুভ শক্তি নিয়ে পৃথিবীতে আগমন অসুভ শক্তি অসুর শক্তির বিনাশ হবে। পৃথিবীর সুন্দর শ্বাসত সুন্দরের জয় হবে। ১৫ অক্টোবর শুক্রবার বিজয়া দশমীর মধ্যে দিয়ে শেষ হবে পূজা। উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি কিরণ চন্দ্র বসু জানিয়েছেন, পূজা উৎসব শান্তিপূর্ণ ভাবে পালনের লক্ষ্যে ইতিমধ্যে পূজা উদযাপন পরিষদের সাথে উপজেলা প্রশাসন আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাথে বৈঠক হয়েছে। তারা বলেছেন, মন্ডপ গুলোতে সকল ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা দিবেন। পূজা উপলক্ষে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিরাজুল ইসলাম নিজস্ব তহবিল থেকে প্রতিটি মন্দিরে ১০ হাজার এবং কেন্দ্রীয় মন্দিরে ২৫ হাজার টাকা করে বিতরণ করেছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সীমা রানী ধর বলেন, প্রতি বছরের ন্যায় এবারও প্রতিটি পূজা মন্ডপে ৫০০ কেজি চাল অনুদান দিয়েছে সরকার।

ভান্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুমুর রহমান বিশ্বাস জানান, পূজা চলাকালীন সময়ে মন্ডপ গুলোতে যেন কোন প্রকার অপ্রতিকর ঘটনা না ঘটে তার জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার থাকবে। ইতিমধ্যে আমরা পূজা উদযাপন কমিটিগুলোর সাথে এনিয়ে মত বিনিময় সভা করেছি