ভান্ডারিয়ার মাইসা খাঁনের মার্কিন প্রেসিডেন্ট শিক্ষা এ্যাওয়ার্ড লাভ

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আমেরিকানদের সাথে প্রতিযোগিতা করে বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত ছাত্র-ছাত্রীরা যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কৃতিত্ত¡ ও সফলতার স্বাক্ষর রাখছেন এবং শিক্ষাক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি পুরস্কারসহ নানা পদক ও স্বীকৃতি অর্জন করছেন।

এরই ধারাবাহিকতায় বিশ্বের রাজধানী বলে খ্যাত নিউইয়ের্কের লং আইল্যান্ডে বসবাসরত বাংলাদেশী আমেরিকান বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও বাংলাদেশের সাবেক রাজনৈতিক নেতা মঈন ইউ খাঁন ও নুসরাত খাঁনের বড় কন্যা মাইসা খাঁন সম্প্রতি নিউফিল্ড হাইস্কুল থেকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট এক্সিলেনসি এ্যাওয়ার্ড ২০২১ লাভ করেছেন। মাইসা খাঁন এ বছর একই স্কুল থেকে গ্রাজুয়েশন শেষ করে উচ্চ শিক্ষার জন্য স্টোনি ব্রুক ইউনির্ভাসিটি ওয়াইজ অনার্স প্রোগ্রামে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন।

২৫শে জুন শুক্রবার স্কুল অডিটোরিয়ামে মাইসা খাঁনের গ্রাজুয়েশন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে তার বাবা-মা জানান, তারা তাদের মেয়ের সাফল্যে গর্বিত এবং উচ্চ শিক্ষায় সে আরও ভালকরবে বলে, তারা আশাবাদী।

মাইসা খাঁন ২০১৪ সালেও বারাক ওবামা স্বাক্ষরিত প্রেসিডেন্ট এক্সিলেনসি এ্যাওয়ার্ড পেয়েছিলেন এবং এবার পেলেন প্রেসিডেন্ট জোবাইডেন স্বাক্ষরিত প্রেসিডেন্ট এক্সিলেনসি এ্যাওয়ার্ড।

মাইসা খাঁনের পিতা-মাতার আদি নিবাস বাংলাদেশের পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া উপজেলায়।

উল্লেখ্য, প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে যে সকল ছাত্র-ছাত্রীরা সকল বিষয়ে শতকরা ৯০ ভাগ বা তার বেশি নম্বর পান তারা এই প্রেসিডেন্ট এ্যাওয়ার্ড এর জন্য মনোনীত হন।

আমেরিকার শিক্ষা বিভাগ ১৯৮৩ইং সাল থেকে এ পুরস্কার চালু করেন। ইতিপূর্বে মূলধারার অর্থাৎ খোদ আমেরিকানরা শিক্ষাক্ষেত্রে এ ধরনের কৃতিত্ত¡ অর্জন করলেও বর্তমানে বাংলাদেশীসহ এশিয়ান বংশোদ্ভুতরা চরম প্রতিযোগিতার মাধ্যমে মার্কিন প্রেসিডেন্ট পুরস্কারসহ বিভিন্ন কৃতিত্ত¡ ও স্বীকৃতি লাভ করছেন।

বাংলাদেশী আমেরিকানদের এ ধারা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে মার্কিন সরকারের বিভিন্ন বিভাগে বাংলাদেশী আমেরিকানদের সংখ্যা আরও বাড়বে এবং তারা গুরুত্বপূর্ণ ও উচ্চপদে তাদের অবস্থান সুদৃঢ় হবে।