এ টি এম শামসুজ্জামান মারা গেছেন

চলে গেলেন কিংবদন্তি অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামান।(ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। সূত্রাপুরের নিজ বাসভবনে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন বলে জানিয়েছেন তার মেয়ে কোয়েল আহমেদ। শুক্রবার বিকেলে তাকে হাসপাতাল থেকে বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। বরেণ্য এই অভিনেতার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে নারিন্দায় পীর সাহেবের বাড়িতে এবং দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে বাদ আসর সূত্রাপুর মসজিদে। এরপর বরেণ্য এই অভিনেতাকে দা’ফন করার কথা রয়েছে জুরাইন কব’রস্থানে।

এ অভিনেতার মৃ’ত্যু সাংস্কৃ’তিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দীর্ঘদিন ধরেই বার্ধক্যজনিত নানা অসুখে ভুগছিলেন এটিএম শামসুজ্জামান। র’ক্তে অ’ক্সিজেন লেভেল কমে যাওয়ায় গত বুধবার সকালে পুরান ঢাকার আজগর আলী হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হয়েছিল।

কিন্তু হাসপাতালে থাকতে না চাওয়ায় শুক্রবার বিকেলে তাকে বাসায় নিয়ে আসা হয়। পরে শনিবার সকাল ৯টার দিকে রাজধানীর সূত্রাপুরের নিজ বাসায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এর আগেও একাধিকবার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন তিনি। গত বছরের ৩০ এপ্রিল তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল।

একুশে পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামানের মৃ’ত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শোক বার্তায় রাষ্ট্রপতি বলেন, এটিএম শামসুজ্জামানের মৃ’ত্যু দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষ’তি। বাংলাদেশে অসাম্প্রদায়িক চেতনার বিকাশে তার অবদান মানুষ শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।

১৯৬৫ সালে অভিনেতা হিসেবে চলচ্চিত্র আগমন হয় এটিএম শামসুজ্জামানের। ১৯৭৬ সালে চলচ্চিত্রকার আমজাদ হোসেনের ‘নয়নমণি’ সিনেমায় খল চরিত্রে অভিনয় করে আলোচনায় আসেন তিনি।